
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি নেছারাবাদ উপজেলা শাখার নেতাকর্মীরা প্রশাসনের নাম অন্তর্ভুক্তির পরও একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাননি। উপস্থাপক একাধিকবার তাদের ডাকলেও তারা ফুল হাতে বা খালি হাতে উপস্থিত হননি। বিষয়টি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি করেছে। উপজেলা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যেও এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন সর্বজনীন দায়িত্ব; সেখানে দলমত নির্বিশেষে অবহেলার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. ওয়াহিদুজ্জামান মানিক বলেন, প্রশাসনের তালিকা থেকে নেছারাবাদ উপজেলা ও পৌর শাখার নির্ধারিত ব্যক্তিদের একাধিকবার ডাকার পরও শহীদ মিনারের আশপাশে তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি নেছারাবাদ উপজেলা শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আমাদের সভাপতি অসুস্থ ছিলেন, আরেকজনও উপস্থিত হননি। এজন্য ফুল দিতে যাওয়া হয়নি। তবে প্রভাতফেরিতে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রশিদ বলেন, আমরা অবহেলা থেকে ফুল দিতে যাইনি; রমজানের কারণে কিছু সমস্যা হয়েছিল। সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি অসুস্থ ছিলাম। তবে দলের কয়েকজনকে শহীদ মিনারে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছিল, কেন তারা গেল না, তা আমি বলতে পারি না।
এ ঘটনায় প্রশাসনিক নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলেও শ্রদ্ধা জানাতে না যাওয়া নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, যা ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।