বুধবার ● ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালী-১ আসনে ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত

হোম পেজ » পটুয়াখালী » পটুয়াখালী-১ আসনে ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত
বুধবার ● ২৮ জানুয়ারী ২০২৬


 

পটুয়াখালী-১ আসনে ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী (ঈগল প্রতীক)-এর গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে মির্জাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম কাকড়াবুনিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এই গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

 

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মেজর (অব.) ডা. ওহাব মিনার। ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য (জামায়াতে ইসলামি সমর্থিত) মির্জাগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামির আমীর মাওলানা মোহাম্মদ সিরাজুল হক।

 

মির্জাগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামির সেক্রেটারি মাওলানা মো. শাহজাহান মৃধার সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি পটুয়াখালী জেলা আমীর অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ মহানগরী জামায়াতে ইসলামি দক্ষিণ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের দায়িত্বশীল অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ খান, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) পটুয়াখালী জেলা সদস্য সচিব ও ১১ দলীয় সমর্থিত প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল হোসেন, সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পটুয়াখালী জেলা যুগ্ম সমন্বয়ক মো. বশির উদ্দিন, যুগ্ম সমন্বয়ক ডা. সাইমুন এবং এবি পার্টির জেলা সদস্য মো. আবু হানিফ জয়।

 

এ সময় জেলা ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামির ছয়টি ইউনিয়নের আমীর ও সেক্রেটারিসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

গণসমাবেশে বক্তারা বলেন, ক্ষমতায় গেলে দেশ পরিচালনার জন্য তিনটি শর্ত বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম শর্ত হিসেবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে বলা হয়- নিজে দুর্নীতিতে জড়ানো যাবে না এবং কোনো দুর্নীতিবাজকেও প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

 

দ্বিতীয় শর্ত হিসেবে ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার জন্য সমান ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। বিচার বিভাগ থাকবে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং সেখানে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সুযোগ থাকবে না। কোনো ধরনের অবিচার বা বিচার বাণিজ্য বরদাশত করা হবে না বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

 

তৃতীয় শর্ত হিসেবে দীর্ঘদিনের দুঃশাসন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির রাজনীতির অবসান ঘটানোর কথা বলেন বক্তারা। ৫৪ বছরের পুরোনো এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনে প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাব গণভোটে উপস্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৩২:০১ ● ৯০ বার পঠিত