সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ মনপুরায় জেলেদের চাল বিতরণ নিয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধ

হোম » ভোলা » সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ মনপুরায় জেলেদের চাল বিতরণ নিয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধ
শনিবার ● ১৭ অক্টোবর ২০২৬


ভোলার মনপুরার কলাতলী ইউনিয়নে জেলেদের সরকারি চাল বিতরণের সময় ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত।

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, মনপুরা (ভোলা)

ভোলার মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন কলাতলী ইউনিয়নে জেলেদের সরকারি চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল ও বিরোধের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাময়িকভাবে চাল বিতরণ বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করায় এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে।

শনিবার দুপুর ২টার দিকে ইউনিয়নের মনির বাজারে ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিকের নাম আবদুল গফুর সিকদার। তিনি দৈনিক স্বাধীন সংবাদের মনপুরা উপজেলা প্রতিনিধি ও মনপুরা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলেদের সরকারি চাল বিতরণের সময় কলাতলী ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা শামীম ও সোহাগের অনুসারীদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। শামীম ও সোহাগ দুজনই ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী। পরিস্থিতির কারণে চাল বিতরণের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার ও মনপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মতিন সাময়িকভাবে চাল বিতরণ বন্ধ রাখেন। এ সময় ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিক আবদুল গফুরকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

আবদুল গফুর বলেন, ‘জেলেদের চাল বিতরণের সময় ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল শুরু হলে ছবি ও ভিডিও ধারণ করি। এ কারণে তারা আমাকে মারধর করে।’

মনপুরা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক একরাম কবির বলেন, কলাতলী ইউনিয়নে ছাত্রদলের কোনো কমিটি নেই। ব্যক্তিগত দায়ভার ছাত্রদল নেবে না।

চাল বিতরণের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার আবদুল মতিন বলেন, ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের কারণে সাময়িকভাবে চাল বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছিল।

কলাতলী ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন বলেন, ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধের কারণে সাময়িকভাবে চাল বিতরণ বন্ধ ছিল। পরে আবার চাল বিতরণ শুরু হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৭:১১:৫২ ● ২৪ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ