লতা-মান্না-কিশোরের কালজয়ী গানে সংগীত সন্ধ্যা

হোম » বিনোদন » লতা-মান্না-কিশোরের কালজয়ী গানে সংগীত সন্ধ্যা
বৃহস্পতিবার ● ১৫ অক্টোবর ২০২৬


 

লতা-মান্না-কিশোরের কালজয়ী গানে সংগীত সন্ধ্যা

সাগরকন্যা প্রতিবেদক

 

লতা মঙ্গেশকর, মান্না দে ও কিশোর কুমার। উপমহাদেশের সংগীতজগতের তিন কিংবদন্তি। তাঁদের কালজয়ী গান নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ সংগীত সন্ধ্যা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশন ও ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের (আইজিসিসি) আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে তিন শিল্পীর জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন সমরজিৎ রায় ও অনুপমা মুক্তি।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন আইজিসিসির পরিচালক প্রাংশু শর্মা। তিনি বলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষ এই তিন শিল্পীর গান শুনে আসছে। তাঁদের গানের মধ্য দিয়ে শ্রোতারা ফিরে যাবেন স্মৃতির পাতায়।

 

ভারতীয় হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন কুমার বড়েও স্মরণ করেন তিন শিল্পীর সংগীত-অবদান। সংগীত যে মানুষকে একসূত্রে যুক্ত করে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি। মান্না দের ‘কফি হাউস’-এর কালজয়ী জনপ্রিয়তার পাশাপাশি স্মরণ করেন লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া ‘ও দাদাভাই’ গানটি। বাংলাদেশের একটি চলচ্চিত্রের জন্য গানটি রেকর্ড করেছিলেন লতা মঙ্গেশকর।

 

সংগীত পরিবেশনার শুরুতেই মঞ্চে ওঠেন সমরজিৎ রায়। মান্না দের ‘পুছো না ক্যায়সে’ দিয়ে শুরু করে তিনি শোনান কিশোর কুমারের ‘নয়ন সরসী’। এরপর একে একে পরিবেশন করেন মান্না দের ‘ও চাঁদ’ ও ‘আমি যামিনী তুমি শশী হে’। তাঁর পরিবেশনার শেষ গান ছিল ‘কফি হাউস’।

 

এরপর লতা মঙ্গেশকরের গানে মঞ্চ মাতান প্লেব্যাক ও নজরুলসংগীতশিল্পী অনুপমা মুক্তি। ‘ভালোবাসার আগুন জ্বেলে’ দিয়ে শুরু হয় তাঁর পরিবেশনা। এরপর গেয়ে শোনান ‘লাগ যা গলে’, ‘মনিহার’ চলচ্চিত্রের ‘আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন’ এবং ‘দিল হুম হুম করে’। সলিল চৌধুরীর সুর করা ‘আজ তবে এইটুকু থাক’ দিয়ে শেষ করেন একক পরিবেশনা।

 

অনুপমা বলেন, ‘লতা মঙ্গেশকর, মান্না দে ও কিশোর কুমারের গান শুনেই আমরা বড় হয়েছি।’

 

দুই শিল্পীর দ্বৈত পরিবেশনায় ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ ও ‘তেরে বিনা জিন্দেগী সে’ গানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সংগীত সন্ধ্যা।

বাংলাদেশ সময়: ২২:৪৮:৫৭ ● ১২ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ