রবিবার ● ১১ অক্টোবর ২০২৬
১১ পদের ৭টিই শূন্য, ব্যাহত হচ্ছে দাপ্তরিক কার্যক্রম জনবল সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে কয়রা উপজেলা শিক্ষা অফিস
হোম » খুলনা » ১১ পদের ৭টিই শূন্য, ব্যাহত হচ্ছে দাপ্তরিক কার্যক্রম জনবল সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে কয়রা উপজেলা শিক্ষা অফিস
![]()
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কয়রা (খুলনা)
খুলনার কয়রা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ১১টি পদের মধ্যে সাতটিই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে দাপ্তরিক কার্যক্রম। বাড়তি কাজের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত কর্মকর্তারা। জরুরি কাজ চালাতে বহিরাগতদের সহায়তা নিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, অফিসটিতে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পাঁচটি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন তিনজন। এ ছাড়া উচ্চমান সহকারী, হিসাব সহকারী ও এমএলএসএসের একটি করে এবং অফিস সহকারীর দুটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে প্রয়োজনীয় জনবল ছাড়াই চলছে অফিসের নিয়মিত কার্যক্রম।
কয়রা উপজেলায় ১৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮৭৪ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। এসব বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষার মান তদারকি, বিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপজেলা শিক্ষা অফিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু জনবল সংকটে এসব দায়িত্ব পালনে চাপ বাড়ছে।
কর্মকর্তাদের একদিকে বিদ্যালয় পরিদর্শন ও শিক্ষার মান তদারকি করতে হচ্ছে, অন্যদিকে সামলাতে হচ্ছে দাপ্তরিক নথিপত্র সংরক্ষণ, হিসাব-নিকাশ ও প্রশাসনিক কাজ। গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে।
বেদকাশি বতুল বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তফা জামাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষা অফিসে লোকবল সংকটের কারণে অনেক সময় নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়। সব পদে লোক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব না হলেও অন্তত দ্রুত অফিস সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। এতে ভোগান্তি কিছুটা কমবে।
মদিনাবাদ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা শহীদ সরোয়ার বলেন, শিক্ষা অফিসের অনেক পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন। জনবল সংকট নিরসন হলে বিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষকদের দাপ্তরিক কাজ ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
কয়রা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার কর্মকার বলেন, জনবল সংকটের কারণে অনেক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে বহিরাগত লোকজনের মাধ্যমে অফিসের জরুরি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:৫৮:০০ ● ২১ বার পঠিত
