মঙ্গলবার ● ১৮ আগস্ট ২০২৬

মনপুরায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসের বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে

হোম » খেলা » মনপুরায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসের বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে
মঙ্গলবার ● ১৮ আগস্ট ২০২৬


 

মনপুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোঃ আবু মুছা। ছবি- সংগৃহীত

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, মনপুরা (ভোলা)

 

ভোলার মনপুরায় জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস উপলক্ষে সরকারি বরাদ্দের ১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবু মুছার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহিন ও সদস্য হোসেন হাওলাদার সরকারি বরাদ্দের অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

 

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহিন জানান, ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসের বিষয়ে ইউএনও মো. আবু মুছা তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করেননি। ইউএনও নিজ উদ্যোগে সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছেন। কীভাবে ওই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে, তা ইউএনও বলতে পারবেন। তবে সরকারি বরাদ্দ ও ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশের পাশাপাশি নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন তিনি।

 

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য হোসেন হাওলাদার জানান, ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসে ফুটবল ও ব্যাডমিন্টলে অংশ নেওয়া ২৭ খেলোয়াড়ের ভোলা যাতায়াত বাবদ ইউএনও মো. আবু মুছা ২৬ হাজার টাকা দিয়েছেন। বাকি টাকা কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা তিনি জানেন না। সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন তিনি।

 

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থা সূত্রে জানা যায়, ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস আয়োজনের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতিটি উপজেলায় ১ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভোলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের যাতায়াত, থাকা ও খাওয়ার জন্য জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে আরও ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে মনপুরার জন্য মোট ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

 

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উপপরিচালক সাইদুল ইসলাম বলেন, সরকারিভাবে ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের যাতায়াত, থাকা ও খাওয়ার জন্য জেলা থেকে নগদ ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

 

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবু মুছা। তিনি বলেন, জেলা থেকে দেওয়া ২৬ হাজার টাকা ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসের প্রচারের জন্য দেওয়া হয়েছে। তবে সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া ১ লাখ টাকা সম্পর্কে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

 

এ বিষয়ে ভোলা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. শামীম রহমান বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময়: ৮:৩৮:১৭ ● ২৪ বার পঠিত