শনিবার ● ১৮ জুলাই ২০২৬

লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পটুয়াখালীতে এসকাভেটর দিয়ে আ.লীগ নেতার বাড়ি ভাঙচুর

হোম » লিড নিউজ » লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পটুয়াখালীতে এসকাভেটর দিয়ে আ.লীগ নেতার বাড়ি ভাঙচুর
শনিবার ● ১৮ জুলাই ২০২৬


 

পটুয়াখালীতে এসকাভেটর দিয়ে আ.লীগ নেতার বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, পটুয়াখালী

 

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান লাভলু কাজীর একতলা বাড়ি এসকাভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলা, মালামাল লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে বরগুনা-সুবিদখালী-কাঠালতলী-বাকেরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে মাধবখালী ইউনিয়নের কাঠালতলী বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মিজানুর রহমান লাভলু কাজী স্বপরিবারে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। তার মা বাড়িতে একা বসবাস করতেন। শুক্রবার বিকেলে অসুস্থ হয়ে তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি হলে বাড়িটি ফাঁকা হয়ে যায়। এ সুযোগে রাতে এসকাভেটর দিয়ে একতলা ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

এ সময় ঘরে থাকা আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে পরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা।

 

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মিজানুর রহমান লাভলু কাজীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

তবে তার ভাই কাজী মশিউর রহমান বাবলু নিজের ফেসবুক আইডিতে বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ঘরের আলমারিতে থাকা স্বর্ণালংকার, মূল্যবান কাগজপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করা হয়েছে।

 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহীন চৌধুরী পাশা। তিনি বলেন, ‘২০০৩ সালে পাবলিক লাইব্রেরির জন্য রেজিস্ট্রিকৃত জমি দখল করে চেয়ারম্যান বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। ওই জমি বা বাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে আমার বা আমাদের কোনো আগ্রহ নেই।’

 

মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. রাসেল বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বাড়িটি সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে থানা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, মাধবখালী ইউনিয়নের কাঠালতলীতে একটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের খবর পেয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:০৬:৪৫ ● ৪৪ বার পঠিত