শুক্রবার ● ১ মে ২০২৬
কুয়াকাটা পৌর যুবদলে স্থান না পেয়ে বিক্ষোভ, নেতৃত্বে বহিষ্কৃত ও বিতর্কিতরা
হোম » কুয়াকাটা » কুয়াকাটা পৌর যুবদলে স্থান না পেয়ে বিক্ষোভ, নেতৃত্বে বহিষ্কৃত ও বিতর্কিতরা

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সদ্য ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান না পেয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন যুবদলেরই কিছু পদবঞ্চিত নেতা-কর্মী। অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভের নেতৃত্বে থাকা কয়েকজন যুবদল নেতার বিরুদ্ধে পূর্বে বহিষ্কারাদেশ, পর্যটক মারধর ও চাঁদাবাজিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও তারা তা অস্বীকার করছেন। তবে জেলা ও কেন্দ্রীয় যুবদল বলছে, দলীয় শৃঙ্খলা ও যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতেই কুয়াকাটা পৌর যুবদল কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত আটটার দিকে কুয়াকাটা পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে যুবদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা এ বিক্ষোভ মিছিল করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নতুন যুবদল কমিটিতে স্থান না পাওয়ায় ক্ষোভ থেকে তারা প্রথমে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে মিছিল নিয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং যুবদল কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানান।
দলীয় সূত্র ও অভিযোগে জানা যায়, বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কয়েকজন যুবদল নেতার বিরুদ্ধে পূর্বে বহিষ্কারাদেশসহ পর্যটকদের মারধর ও হোটেলে চাঁদাবাজির মতো অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে নতুন যুবদল কমিটিতে অনেককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলে দলীয় একটি সূত্র দাবি করেছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত যুবদল নেতারা এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন দলীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তারা মূল্যায়ন পাননি।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বহিষ্কৃত সভাপতি বেলাল হোসেন সাগরকন্যার এ প্রতিবেদককে জানান, তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে তা জানলেও তিনি তা মানেন না এবং যুবদলের জন্য দীর্ঘদিনের ত্যাগের স্বীকৃতি চান।
কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি আবু বক্কর বলেন, তিনি ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি হলেও পৌর যুবদল কমিটিতে তাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। তাকে আরও সম্মানজনক পদে রাখার দাবি জানান তিনি।
কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মো. ফারুক সাগরকন্যাকে বলেন, সংগঠনকে শক্তিশালী ও শৃঙ্খল রাখতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে রাখা হয়নি। তিনি জানান, ৭১ জনকে মূল্যায়ন করে পূর্ণাঙ্গ যুবদল কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে এবং আরও অনেককে সুযোগ দেওয়া সম্ভব ছিল, তবে দলীয় নিয়ম মেনেই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম লিটন বলেন, একটি কমিটিতে সবাইকে স্থান দেওয়া সম্ভব নয়। যারা বাদ পড়েছেন, তারা ভবিষ্যতে সুযোগ পাবেন। দলীয় শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি রক্ষায় এমন সিদ্ধান্ত স্বাভাবিক।
বাংলাদেশ সময়: ২০:০৪:০৯ ● ৪১ বার পঠিত
