বুধবার ● ২৯ এপ্রিল ২০২৬
গৌরনদীতে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে ইউএনওকে আইনি নোটিশ
হোম » লিড নিউজ » গৌরনদীতে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে ইউএনওকে আইনি নোটিশ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, গৌরনদী (বরিশাল)
বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার হোল্ডিং নম্বর প্লেট স্থাপনের কাজ পূর্বে অনুমোদন দেওয়া সত্ত্বেও অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তরের অভিযোগ তুলে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বেসরকারি সংস্থা টার্গেট পিপল ফর ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (টিপিডিও)-এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলী মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এ নোটিশ পাঠান। বিষয়টি টিপিডিও পক্ষের বরিশাল জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন মিজান নিশ্চিত করেছেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ১২ মার্চ টিপিডিও গৌরনদী পৌরসভায় হোল্ডিং নম্বর প্লেট স্থাপনের কাজের জন্য আবেদন করলে পৌর কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দেয়। পরে পৌরসভার অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রমের কারণে কাজটি সাময়িকভাবে স্থগিত থাকে। এরপর ২০২৬ সালের ১২ মার্চ পুনরায় কাজ শুরুর আবেদন করা হলে ১৫ মার্চ পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
নোটিশ অনুযায়ী, এ অনুমতির ভিত্তিতে সংস্থাটি প্রায় ১০ হাজার প্লেট প্রস্তুত, জনবল নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয় করে। তবে পরবর্তীতে একই কাজ অন্য একটি সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে টিপিডিও।
নোটিশে পৌর প্রশাসনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, পূর্ব অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও কেন কাজ অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া হলো এবং কেন টিপিডিওকে কাজ থেকে বিরত রাখা হলো। একই সঙ্গে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।
আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন মিজান বলেন, ‘আমার মক্কেলের পক্ষে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে ২৮ এপ্রিল গৌরনদী পৌর প্রশাসককে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম সাগরকন্যাকে বলেন, ‘এ কাজের জন্য একটি মাত্র আবেদন পেয়েছি, তাই যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ ছিল না। বাড়ির মালিক নিজ খরচে হোল্ডিং নম্বর প্লেট বসাবেন। সংস্থাকে শুধু আমাদের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। টিপিডিওকে কাজের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। পূর্বের কোনো পৌর প্রশাসক অনুমতি দিয়ে থাকলে কাগজপত্র নিয়ে এলে ফাইল দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো।’
ইউএনও বিস্ময় প্রকাশ করে আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে তো আইনি নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না।’
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৩২:০৬ ● ৪১ বার পঠিত
