সোমবার ● ১৯ অক্টোবর ২০২৬

নলছিটিতে জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সংলাপ

হোম » ঝালকাঠী » নলছিটিতে জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সংলাপ
সোমবার ● ১৯ অক্টোবর ২০২৬


 

নলছিটিতে জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সংলাপ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, নলছিটি (ঝালকাঠি)

 

জেন্ডারভিত্তিক বৈষম্য দূরীকরণ, নারীর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ঝালকাঠির নলছিটিতে অ্যাডভোকেসি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে ‘সমতায় তারুণ্য: ইয়ুথ ফর ইকুয়ালিটি’ প্রকল্পের আওতায় এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সুহাসিনী স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের আয়োজনে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের উদ্যোগে, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং নেদারল্যান্ডস সরকারের অর্থায়নে প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।

 

সংগঠনটির সভাপতি সাথী আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান পলাশ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাছরিন আক্তার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এনামুল হক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি হেলাল খান, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. শামসুল আলম বাহার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তৌহিদ আলম মান্না এবং সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) উপজেলা শাখার সভাপতি ও প্রভাষক মো. আমির হোসেনসহ অন্যরা।

 

আলোচনায় নাছরিন আক্তার বলেন, সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈষম্য, বাল্যবিবাহ এবং সামাজিক অবক্ষয় নারীর অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে। এসব সমস্যা দূর করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

 

সংলাপে জেন্ডারভিত্তিক সামাজিক ধারণা ও প্রচলিত গৎবাঁধা মানসিকতা, নারীর প্রতি বৈষম্য ও সহিংসতা প্রতিরোধ, কন্যাশিশুর অধিকার এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

 

সভাপতির বক্তব্যে সাথী আক্তার বলেন, জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন, নারীর অধিকার সুরক্ষা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

বক্তারা বলেন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও তরুণদের সম্মিলিত উদ্যোগে নারী-পুরুষের সমান মর্যাদা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এ ধরনের সংলাপ স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৭:১৭:৫২ ● ১৭ বার পঠিত