সাগরকন্যা খেলা ডেস্ক
ভুটান সফরে যাওয়ার পথে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এ সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি ও চার সহসভাপতি। প্রায় এক ঘণ্টার আলোচনায় বাংলাদেশের ফুটবলের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন বাফুফে কর্মকর্তারা।
বাফুফের সহসভাপতি ও গভর্নমেন্ট রিলেশনস কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি বলেন, সভাপতি ও আমরা সবাই বাংলাদেশের ফুটবলের নানা বিষয় তুলে ধরেছি। কক্সবাজারে ফিফার অর্থায়নে টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণের বিষয়টি তাঁকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে ফিফার আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর ব্যাপারে প্রাথমিক আশ্বাসও দিয়েছেন।
দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে থিম্পুর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন ইনফান্তিনো। ভুটানে দুই দিন থাকবেন তিনি। ২০ অক্টোবর ফেরার পথেও তাঁর বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ওই সময় বাফুফে কর্মকর্তারা জাপানে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) বিশেষ কংগ্রেসে অংশ নিতে থাকবেন।
ফিফার বর্তমান সভাপতি হিসেবে ইনফান্তিনোর এটি দ্বিতীয় বাংলাদেশ সফর। এর আগে ২০১৭ সালে এক দিনের সফরে ঢাকায় এসেছিলেন তিনি। দীর্ঘ নয় বছর পর আবারও ঢাকায় এলেন, যদিও এবার তাঁর অবস্থান ছিল যাত্রাবিরতিতে সীমিত।
এর আগে সাবেক ফিফা সভাপতি হুয়াও হ্যাভেল্যাঞ্জ ১৯৮১ সালে ঢাকায় পাইওনিয়ার ফুটবলের উদ্বোধন করেন। আরেক সাবেক সভাপতি সেপ ব্লাটার ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ উদ্বোধন করতে বাংলাদেশে এসেছিলেন। ২০১২ সালেও তিনি ঢাকায় সফর করেন।
ইনফান্তিনোর বাংলাদেশে ঘণ্টা দেড়েক অবস্থানের বিষয়টি গতকাল বিকেল পর্যন্ত নিশ্চিত ছিল না। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত হলেও বাফুফের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়নি। ইনফান্তিনো ঢাকা ছাড়ার সময় তাঁর ছবি ও ভিডিও সংবাদমাধ্যমকে সরবরাহ করা হয়।
এদিকে ইন্দোনেশিয়ায় আসিয়ান কাপে ব্যর্থতা এবং ফুটবলারদের নাইট ক্লাবকেন্দ্রিক বিতর্কের পর জাতীয় দল কমিটির সভা ঘিরে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ ওই সভার বিষয়েও সংবাদমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি ফেডারেশন। অথচ নারায়ণগঞ্জে একটি একাডেমি পরিদর্শনে সাংবাদিকদের একাধিকবার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ফেডারেশনের এমন যোগাযোগনীতির পার্থক্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।