রবিবার ● ৪ অক্টোবর ২০২৬

বাউফলে জমির অধিকার চাওয়ায় একাধিক মামলায় হয়রানির অভিযোগ

হোম » পটুয়াখালী » বাউফলে জমির অধিকার চাওয়ায় একাধিক মামলায় হয়রানির অভিযোগ
রবিবার ● ৪ অক্টোবর ২০২৬


 

প্রতীকী মানচিত্র

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বাউফল (পটুয়াখালী)

 

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া মৌজায় ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি কিনে ২২ দশমিক ৪৩ শতাংশ জমি ভোগদখলে রাখার অভিযোগ উঠেছে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত জমি ছেড়ে দেওয়ার দাবি করায় প্রকৃত মালিকদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মোবারক আলী মাতব্বর পৈত্রিক সূত্রে চন্দ্রপাড়া মৌজার ২৮৩ নম্বর খতিয়ানের ৭০২ ও ৭১৫ নম্বর দাগের মোট ২৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ জমির মালিক ছিলেন। ১৯৯৭ সালের ১৪ আগস্ট ওই জমি থেকে মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন খান ও তাঁর ছোট ভাই মো. কবির হোসেন খানের কাছে ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেন তিনি। পরে ওই জমি দুই ভাইকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

 

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে মোসলেম উদ্দিন ও কবির হোসেন ৭১৫ নম্বর দাগের ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং ৭০২ নম্বর দাগের ১৪ দশমিক ২ শতাংশ জমি দখলে নেন। এতে মোবারক আলীর সঙ্গে তাঁদের বিরোধ সৃষ্টি হয়।

 

মোবারক আলীর জ্যেষ্ঠ ছেলে মো. আলাউদ্দিন মাতব্বর বলেন, ২০০৪ সালে তাঁর বাবা মারা যাওয়ার পর স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হয়। সেখানে মোসলেম উদ্দিন ও কবির হোসেনকে তাঁদের কেনা ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি রেখে বাকি জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। এরপর তাঁদের পরিবারের শিশু ছাড়া অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও হুমকি-ধামকির অভিযোগে তিনটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় তাঁদের নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে।

 

আলাউদ্দিন মাতব্বরের ছেলে মো. মনির মাতব্বর বলেন, তিনি ঢাকায় থাকেন। জমির অধিকার চাওয়ায় সাজানো ঘটনায় একের পর এক মামলায় তাঁকে আসামি করা হচ্ছে। একটি মামলায় তাঁকে ১৯ দিন কারাগারেও থাকতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মোসলেম উদ্দিন বলেন, আলাউদ্দিনরা আগে মামলা করায় পরে তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তিনি ও তাঁর ভাই অতিরিক্ত জমি দখল করেননি বলেও দাবি করেন।

 

এ বিষয়ে আলাউদ্দিন মাতব্বর বলেন, তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ মোসলেম উদ্দিন ও কবির হোসেনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করেননি।বাউফলে জমির অধিকার চাওয়ায় একাধিক মামলায় হয়রানির অভিযোগ

 

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বাউফল (পটুয়াখালী)

 

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া মৌজায় ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি কিনে ২২ দশমিক ৪৩ শতাংশ জমি ভোগদখলে রাখার অভিযোগ উঠেছে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত জমি ছেড়ে দেওয়ার দাবি করায় প্রকৃত মালিকদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মোবারক আলী মাতব্বর পৈত্রিক সূত্রে চন্দ্রপাড়া মৌজার ২৮৩ নম্বর খতিয়ানের ৭০২ ও ৭১৫ নম্বর দাগের মোট ২৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ জমির মালিক ছিলেন। ১৯৯৭ সালের ১৪ আগস্ট ওই জমি থেকে মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন খান ও তাঁর ছোট ভাই মো. কবির হোসেন খানের কাছে ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেন তিনি। পরে ওই জমি দুই ভাইকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

 

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে মোসলেম উদ্দিন ও কবির হোসেন ৭১৫ নম্বর দাগের ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং ৭০২ নম্বর দাগের ১৪ দশমিক ২ শতাংশ জমি দখলে নেন। এতে মোবারক আলীর সঙ্গে তাঁদের বিরোধ সৃষ্টি হয়।

 

মোবারক আলীর জ্যেষ্ঠ ছেলে মো. আলাউদ্দিন মাতব্বর বলেন, ২০০৪ সালে তাঁর বাবা মারা যাওয়ার পর স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হয়। সেখানে মোসলেম উদ্দিন ও কবির হোসেনকে তাঁদের কেনা ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জমি রেখে বাকি জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। এরপর তাঁদের পরিবারের শিশু ছাড়া অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও হুমকি-ধামকির অভিযোগে তিনটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় তাঁদের নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে।

 

আলাউদ্দিন মাতব্বরের ছেলে মো. মনির মাতব্বর বলেন, তিনি ঢাকায় থাকেন। জমির অধিকার চাওয়ায় সাজানো ঘটনায় একের পর এক মামলায় তাঁকে আসামি করা হচ্ছে। একটি মামলায় তাঁকে ১৯ দিন কারাগারেও থাকতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মোসলেম উদ্দিন বলেন, আলাউদ্দিনরা আগে মামলা করায় পরে তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তিনি ও তাঁর ভাই অতিরিক্ত জমি দখল করেননি বলেও দাবি করেন।

 

এ বিষয়ে আলাউদ্দিন মাতব্বর বলেন, তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ মোসলেম উদ্দিন ও কবির হোসেনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করেননি।

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৪২:২৮ ● ২০ বার পঠিত