বুধবার ● ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজউকের অভিযানে ৮ ভবন: জরিমানা, মিটার জব্দ ও অবৈধ অংশ অপসারণ

হোম » জাতীয় » রাজউকের অভিযানে ৮ ভবন: জরিমানা, মিটার জব্দ ও অবৈধ অংশ অপসারণ
বুধবার ● ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


 

রাজউকের অভিযানে ৮ ভবন: জরিমানা, মিটার জব্দ ও অবৈধ অংশ অপসারণ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক

 

রাজধানীর সূত্রাপুর ও গেন্ডারিয়া এলাকায় অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় এবং অননুমোদিত নির্মাণ বন্ধে অভিযান চালিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। মঙ্গলবার জোন-৭/১-এর আওতাধীন এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে আটটি ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় একটি ভবন মালিককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়, জব্দ করা হয় ১২টি বৈদ্যুতিক মিটার। পাশাপাশি কয়েকটি ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশ আংশিক অপসারণ করা হয়েছে।

 

রাজউকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. লিটন সরকার ও জোন-৭/১-এর অথরাইজড অফিসার মো. ইলিয়াসের যৌথ তত্ত্বাবধানে অভিযান পরিচালিত হয়। এতে সহকারী অথরাইজড অফিসার, প্রধান ইমারত পরিদর্শক, ইমারত পরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

 

সূত্রাপুরের ৪৫, এস কে দাস রোডে শওকত গংয়ের নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনে অভিযান চালিয়ে একটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়। পরে মিটারটি ডিপিডিসির প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়। একই সঙ্গে ভবন মালিককে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভবনের সম্মুখভাগের ব্যত্যয়কৃত অংশ আংশিক অপসারণ করা হয়।

 

একই এলাকার ৪৫ সংলগ্ন এস কে দাস রোডে বিলকিছ বেগম গংয়ের নির্মাণাধীন পাঁচতলা ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশ আংশিক অপসারণ করা হয়। এ সময় একটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করে ডিপিডিসির প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

৩৮/৩, এস কে দাস রোডে মো. আক্কাস চৌকিদারের নির্মাণাধীন চারতলা ভবন থেকে দুটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ডিপিডিসির প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

৮২, এস কে দাস রোডে সোহেল গংয়ের নির্মাণাধীন একতলা ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশ আংশিক অপসারণ করা হয়। এ সময় তিনটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করে ডিপিডিসির প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

১০৬ ও ১০৭, কে বি রোডে মো. শাহজাহান গংয়ের চারতলা নির্মিত/নির্মাণাধীন ভবন থেকে একটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়। সেটিও ডিপিডিসির প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

গেন্ডারিয়ার ১৪ ও ১৪/১, সতীশ সরকার রোডে রুহুল আমিন গংয়ের নির্মাণাধীন ভবনেও পুনরায় অভিযান চালানো হয়। রাজউক জানায়, এর আগে গত ২১ জানুয়ারি একই ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, ব্যত্যয়কৃত অংশ আংশিক অপসারণ এবং একটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়েছিল। কিন্তু ব্যত্যয় অপসারণ না করেই পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু করায় মঙ্গলবার আবার অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করে ডিপিডিসির প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশ আংশিক অপসারণ করা হয়।

 

সূত্রাপুরের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর মালাকারটোলায় সোহেল গংয়ের নির্মাণাধীন সাততলা ভবনেও পুনরায় অভিযান চালানো হয়। এর আগে গত ১০ আগস্ট ওই ভবনে অভিযান চালিয়ে একটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ এবং ব্যত্যয়কৃত অংশ আংশিক অপসারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ব্যত্যয় অপসারণ না করে আবার নির্মাণকাজ শুরু করায় মঙ্গলবার সেখানে ফের অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি নির্মাণ বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করে ডিপিডিসির প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ব্যত্যয়কৃত অংশ আংশিক অপসারণ করা হয়।

 

এ ছাড়া সূত্রাপুরের ৪৩ নম্বর মালাকারটোলায় হিটলার চন্দ্রের নির্মাণাধীন একতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে একটি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়। পরে সেটি ডিপিডিসির প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

রাজউক জানিয়েছে, জোন-৭/১-এর আওতাধীন এলাকায় অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় রোধ এবং অননুমোদিত নির্মাণ বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ সময়: ১০:৪৭:৫৫ ● ৬৭ বার পঠিত