শনিবার ● ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাইন-ইলেভেনের ২৫ বছর, নিউইয়র্কের স্মরণে অনুপস্থিত ট্রাম্প

হোম » বিশ্ব » নাইন-ইলেভেনের ২৫ বছর, নিউইয়র্কের স্মরণে অনুপস্থিত ট্রাম্প
শনিবার ● ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


 

নাইন-ইলেভেনের ২৫ বছর, নিউইয়র্কের স্মরণে অনুপস্থিত ট্রাম্প

সাগরকন্যা ডেস্ক

 

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ২৫তম বার্ষিকী পালিত হয়েছে। শুক্রবার নিউইয়র্কের ‘গ্রাউন্ড জিরো’তে আবেগঘন আয়োজনে হামলায় নিহতদের স্মরণ করা হয়। তবে অনুষ্ঠানে ছিলেন না প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রচলিত রীতি ভেঙে তিনি পেন্টাগনে গিয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

 

নাইন-ইলেভেনের হামলায় নিহত হন ২ হাজার ৯৭৭ জন। তাঁদের বেশির ভাগই নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ছিনতাই করা উড়োজাহাজ দিয়ে চালানো হামলায় প্রাণ হারান। ওই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা থেকে শুরু করে বৈশ্বিক রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।

 

হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র তথাকথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় দেশটি বছরের পর বছর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। রিপাবলিকান দলের নেতা ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর ইরান-সংক্রান্ত বর্তমান সংঘাতকেও সেই পুরোনো যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

 

পেন্টাগনে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘আজ আমরা সেই পবিত্র শপথ আবার নতুন করে গ্রহণ করছি, যা ২৫ বছর আগে তাঁদের স্মরণে নিয়েছিলাম। আমরা কোনো দিনই তা ভুলব না। আর এ জন্যই আজ আমরা লড়ছি।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আর কোনো উপায় নেই। এখানে শুধু জয়ই হতে পারে। আমরা শক্ত লড়াই করছি। আমরা জয়ের জন্যই লড়ছি।’

 

নিউইয়র্কের লোয়ার ম্যানহাটানের ‘গ্রাউন্ড জিরো’তে আয়োজিত স্মরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ট্রাম্প ছাড়া তাঁর আগের চার জীবিত সাবেক প্রেসিডেন্টও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তাঁরা হলেন রিপাবলিকান দলের জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং ডেমোক্র্যাট দলের জো বাইডেন, বারাক ওবামা ও বিল ক্লিনটন। নাইন-ইলেভেনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ।

 

স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের পর অনুষ্ঠান শুরু হয়। এ সময় নাইন-ইলেভেনের হামলার দিনের ঘটনাগুলো সময়ের ধারাবাহিকতায় স্মরণ করা হয়। নিহত ব্যক্তিদের নাম পাঠের পাশাপাশি হামলার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো স্মরণ করে ঘণ্টা বাজানো হয়।

 

প্রতিবারের মতো এবারও অনুষ্ঠানটি মূলত রাজনীতিমুক্ত রাখার রীতি অনুসরণ করা হয় এবং সেখানে সাধারণত কোনো ভাষণ দেওয়া হয় না। তবে নিহতদের স্বজনদের মধ্যে যাঁরা নাম পাঠ করেন, তাঁদের কয়েকজন সৌদি আরবের সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে সৌদি রাজপরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক নেতাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১০:৩৫:৪৯ ● ১২ বার পঠিত