রবিবার ● ২৩ আগস্ট ২০২৬

কলাপাড়ার হাজিপুরে গ্রহণযোগ্যতায় এগিয়ে বাদল মাতুব্বর

হোম » পটুয়াখালী » কলাপাড়ার হাজিপুরে গ্রহণযোগ্যতায় এগিয়ে বাদল মাতুব্বর
রবিবার ● ২৩ আগস্ট ২০২৬


 

কলাপাড়ার হাজিপুরে গ্রহণযোগ্যতায় এগিয়ে বাদল মাতুব্বর

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) 

 

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ৫ নম্বর নীলগঞ্জ ইউনিয়নকে বিভাজন করে গঠিত হয়েছে (প্রস্তাবিত) ১৩ নম্বর হাজিপুর ইউনিয়ন। নতুন এ ইউনিয়নকে ঘিরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতা, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততার কারণে আলোচনায় রয়েছেন মো. নাজমুল আলম বাদল মাতুব্বর।

 

বাদল মাতুব্বর বি.এ. অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। শিক্ষাজীবন শেষ করে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলায় স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর একটি পরিচিতি তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মেশা এবং ভদ্র ও মিষ্টভাষী আচরণের বিষয়টিও তাঁর সম্পর্কে আলোচনায় আসে।

 

রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে বাদল মাতুব্বরের পরিবারের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাঁর বড় ভাই মো. কামরুজ্জামান শহীদ মাতুব্বর ৫ নম্বর নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি প্রায় ২১ বছর জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরিবারের অন্য সদস্যদেরও স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার ইতিহাস রয়েছে।

 

নিজের রাজনৈতিক পথচলায় বাদল মাতুব্বরও বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি কলাপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

 

বাদল মাতুব্বরের রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার অভিজ্ঞতাও রয়েছে। রাজনৈতিক মামলায় কারাবরণ এবং বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা তিনি তাঁর নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেছেন। তাঁর ভাষ্য, এসব অভিজ্ঞতা তাঁকে মানুষের পাশে থাকা, প্রতিকূলতা মোকাবিলা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও দায়িত্বশীল হতে শিখিয়েছে।

 

হাজিপুর ইউনিয়নকে ঘিরে তাঁর ভাবনার মধ্যে রয়েছে শিক্ষা, যোগাযোগব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি। তিনি ইউনিয়নকে একটি পরিকল্পিত ও উন্নয়নমুখী প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সামাজিক পরিবেশ তৈরির কথাও বলছেন তিনি।

 

স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর পরিচিতির ক্ষেত্রে পারিবারিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ব্যক্তিগত আচরণও গুরুত্ব পাচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ রক্ষা এবং দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততা তাঁকে স্থানীয় রাজনীতিতে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে বলে মনে করছেন তাঁর সমর্থকেরা।

 

নতুন ইউনিয়ন হিসেবে হাজিপুরের সামনে রয়েছে যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নাগরিক সুবিধা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের নানা চ্যালেঞ্জ। এসব ক্ষেত্রে যোগ্য ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি স্থানীয়দের আলোচনায়ও উঠে আসছে। সেই প্রেক্ষাপটে শিক্ষিত, সামাজিকভাবে সম্পৃক্ত এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থী হিসেবে মো. নাজমুল আলম বাদল মাতুব্বরের নামও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সময়: ২১:৪৪:৫৬ ● ৩৫ বার পঠিত