শনিবার ● ১৫ আগস্ট ২০২৬
কুয়াকাটায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে আলোচনা সভা ও অবস্থান কর্মসূচি
হোম » কুয়াকাটা » কুয়াকাটায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে আলোচনা সভা ও অবস্থান কর্মসূচি
![]()
সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ভোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে খাদ্যের মোড়কে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের পরিমাণ উল্লেখ এবং সুস্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবাণী সংযুক্ত করার দাবিতে কুয়াকাটায় আলোচনা সভা ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে এসএসডিপি কুয়াকাটার উদ্যোগে এবং সিটিজেন নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পটুয়াখালী জেলা কার্যালয়ের জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মির্জা শাহরান হোসাইন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান।
এ সময় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু, কুয়াকাটা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাজী সাঈদ, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমিরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে আলোকপাত করেন এনজিও সংস্থা সাউদার্ন সোসিও-ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এসএসডিপি) নির্বাহী পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান। এ সময় পটুয়াখালীর নমুনা সংগ্রহ সহকারী রাকিবুল হাসানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণ জনস্বাস্থ্যের জন্য নানা ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই ভোক্তাদের সচেতনভাবে খাদ্যপণ্য বেছে নেওয়ার সুযোগ দিতে প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কে এসব উপাদানের পরিমাণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সতর্কবাণী সংযুক্ত করা জরুরি।
তারা আরও বলেন, খাদ্যপণ্যের মোড়কের লেবেল সহজবোধ্য, স্পষ্ট ও তথ্যসমৃদ্ধ হলে ভোক্তারা পণ্য কেনার আগে এর পুষ্টিমান ও ক্ষতিকর উপাদান সম্পর্কে জানতে পারবেন। একই সঙ্গে খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভোক্তার অধিকার ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খাদ্যপণ্যের তথ্য উপস্থাপন করতে হবে।
আলোচনা সভা শেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, খাদ্যের মোড়কে এসব উপাদানের পরিমাণ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ এবং কার্যকর স্বাস্থ্য সতর্কবাণী নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
পরে দাবির সমর্থনে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা। একই সঙ্গে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তার মাধ্যমে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে পৃথক দুটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৪:৪২:০৮ ● ২৫ বার পঠিত
