বুধবার ● ১২ আগস্ট ২০২৬

জমি বিরোধে চাঁদাবাজির মামলা মহিপুরে ৮ জনের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

হোম » পটুয়াখালী » জমি বিরোধে চাঁদাবাজির মামলা মহিপুরে ৮ জনের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
বুধবার ● ১২ আগস্ট ২০২৬


 

জমি বিরোধে চাঁদাবাজির মামলা মহিপুরে ৮ জনের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, মহিপুর (পটুয়াখালী)

 

পটুয়াখালীর মহিপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মাদ্রাসাশিক্ষক, প্রবাসী ও স্থানীয় বাসিন্দাসহ আটজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে পাইকবাড়ী স্ট্যান্ড এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকার নিরীহ মানুষকে চাঁদাবাজির মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, বিরোধের বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলাটি করা হয়েছে। এতে শিক্ষক, প্রবাসীসহ স্থানীয় কয়েকজন হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

 

মানববন্ধনে মাওলানা মো. আইয়ুব আলী বলেন, মাদ্রাসাশিক্ষক মাহতাব উদ্দিন, প্রবাসীসহ যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, তারা এলাকার পরিচিত ও ভালো মানুষ। তাদের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ নেই। জমি-জমার বিরোধ থাকলে সেটি আইনগতভাবে সমাধান করা যায়। তাই আমরা অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার এবং নিরীহ মানুষকে হয়রানি বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।

 

ফাতেমা বেগমসহ স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে সাধারণ মানুষকে চাঁদাবাজির মামলায় জড়ানো হলে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। তারা মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে নিরপরাধ ব্যক্তিদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মহিপুর থানায় চাঁদাবাজির মামলাটি করেন। এতে লতিফপুর ও মনোহারপুর এলাকার আটজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

 

মামলার আসামিরা হলেন মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৭), আব্দুল মতিন গাজী (৩৫), মো. শহিদুল ইসলাম (৩৫), মাওলানা মো. মাহতাব উদ্দিন (৫৫), মো. আলতাফ হোসেন গাজী (৫৫), মো. রাজু খলিফা (২৫), মো. শাহিন মীর (৩৮) ও মঞ্জু হাওলাদার (৩৭)।

 

তবে মামলায় বাদীর করা অভিযোগের বিষয়ে আসামিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকেও তদন্তের অগ্রগতি বা অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মানববন্ধন থেকে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত না হলে আসামিদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৪:৪৩:২৭ ● ২৩ বার পঠিত