বুধবার ● ৫ আগস্ট ২০২৬
ল্যাপটপ কেনার আগে অদৃশ্য কার্বন খরচের হিসাব
হোম » প্রযুক্তি » ল্যাপটপ কেনার আগে অদৃশ্য কার্বন খরচের হিসাব
![]()
সাগরকন্যা আইটি ডেস্ক
একটি ল্যাপটপ কেনার সময় আমরা সাধারণত র্যাম, প্রসেসর, স্টোরেজ কিংবা দামের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিই। কিন্তু এর আড়ালে থেকে যায় এমন একটি হিসাব, যা পণ্যের বিল বা স্পেসিফিকেশন শিটে উল্লেখ থাকে না। ল্যাপটপটি হাতে পাওয়ার আগেই এর উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বাতাসে মিশে যায় কয়েক শ কিলোগ্রাম কার্বন ডাই-অক্সাইড।
এই নির্গমনের সঠিক পরিমাণ নিয়ে গবেষকদের মধ্যে কিছুটা ভিন্নমত রয়েছে। বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যেমন ডেল বা লেনোভো তাদের ল্যাপটপের জন্য প্রকাশিত লাইফসাইকেল অ্যাসেসমেন্টে (এলসিএ) ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিয়েছে। কারণ একটি ছোট ম্যাকবুক এয়ারের সঙ্গে একটি ভারী গেমিং ল্যাপটপের তুলনা করা কঠিন। ল্যাপটপের আকার, ব্যবহৃত উপাদান, ব্যাটারির ক্ষমতা, স্ক্রিন প্রযুক্তি এবং হার্ডওয়্যার কনফিগারেশনের ওপর নির্ভর করে এর কার্বন ফুটপ্রিন্টও বদলে যায়।
তবে বিভিন্ন লাইফসাইকেল বিশ্লেষণ থেকে একটি সামগ্রিক ধারণা পাওয়া যায়। গবেষণা অনুযায়ী, একটি সাধারণ ল্যাপটপ তৈরিতে গড়ে প্রায় ২০০ থেকে ৩৩০ কিলোগ্রাম কার্বন সমতুল্য নির্গমন হতে পারে। কমপ্যাক্ট মডেলের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ প্রায় ১৫০ কিলোগ্রামের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে। অন্যদিকে বড় আকারের ওয়ার্কস্টেশন শ্রেণির ল্যাপটপে তা কখনো কখনো ৬০০ কিলোগ্রামেরও বেশি হতে পারে।
এই কার্বন নির্গমনের সবচেয়ে বড় অংশ ঘটে উৎপাদন পর্যায়েই। বিভিন্ন বিশ্লেষণ বলছে, মোট কার্বন ফুটপ্রিন্টের প্রায় ৭৫ থেকে ৮৫ শতাংশ আসে ল্যাপটপ তৈরির সময়। বাকি অংশের জন্য দায়ী হয় পরিবহন, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং দীর্ঘদিন ব্যবহারের সময় বিদ্যুৎ খরচ।
বাংলাদেশ সময়: ৯:০৯:১০ ● ১৮ বার পঠিত
