শনিবার ● ২৫ এপ্রিল ২০২৬

গলাচিপায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘিরে ‘মিথ্যা সংবাদ’ অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

হোম » শিক্ষা » গলাচিপায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘিরে ‘মিথ্যা সংবাদ’ অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
শনিবার ● ২৫ এপ্রিল ২০২৬


 

গলাচিপায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘিরে ‘মিথ্যা সংবাদ’ অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, গলাচিপা (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর গলাচিপায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে জড়িয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পরীক্ষার্থীর মা মোসা. নার্গিস পারভীন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার উলানিয়া বন্দরের নিজ বাসভবনে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

 

লিখিত বক্তব্যে নার্গিস পারভীন জানান, তার ছেলে মো. আশিকুর রহমান বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উলানিয়া হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২৩১৫১৯৪৭১৪, রোল নম্বর ৯৯০০৩২)। তার অভিযোগ, বিদ্যালয়ের সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মো. বুলবুলের কাছে প্রাইভেট না পড়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নির্বাচনী পরীক্ষায় কয়েকটি বিষয়ে তাকে অকৃতকার্য দেখানো হয় এবং পরে তাকে ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তিনি কোনো সমাধান পাননি।

 

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গণিত বিষয়ের শিক্ষক মো. বুলবুল। তিনি বলেন, ‘আশিকুর রহমান ৮ বিষয়ে ফেল করেছে। সে একা নয়, নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া আরও ৪৫ শিক্ষার্থীর ফরম ফিলাপ হয়নি।’

 

নার্গিস পারভীন আরও দাবি করেন, একই প্রতিষ্ঠানের অন্য শিক্ষার্থীরা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া সত্ত্বেও ফরম পূরণের সুযোগ পেয়েছে। এমনকি কেউ কেউ পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও ফরম পূরণ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ফরম পূরণে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগও তোলেন তিনি।

 

তিনি জানান, পরে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. মাহফুজুর রহমানের স্বাক্ষরিত কাগজপত্র সংগ্রহ করে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে জমা দিলে যাচাই-বাছাই শেষে তার ছেলের ফরম পূরণ সম্পন্ন হয় এবং সে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। তবে সম্প্রতি প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, সেখানে অধ্যক্ষ তার স্বাক্ষর অস্বীকার করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে স্বাক্ষরটি ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

 

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. মাহফুজুর রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৩৯:০৮ ● ৪০ বার পঠিত