মঙ্গলবার ● ৭ এপ্রিল ২০২৬

কলাপাড়ায় নুরপুর মাদ্রাসায় গোপন কমিটি, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

হোম পেজ » পটুয়াখালী » কলাপাড়ায় নুরপুর মাদ্রাসায় গোপন কমিটি, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ
মঙ্গলবার ● ৭ এপ্রিল ২০২৬


কলাপাড়ায় নুরপুর মাদ্রাসায় গোপন কমিটি, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ডালবুগঞ্জের নুরপুর দাখিল মাদ্রাসায় শূন্য পদে নিয়োগ বাণিজ্যের লক্ষ্যে অতি গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুল আউয়ালের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে তিনটি শূন্য পদে নিয়োগ দিতে প্রায় ৩০ লাখ টাকা গ্রহণের অভিযোগ এনে সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন প্রতিষ্ঠাতার পুত্র কে এম মনিরুজ্জামান।

অভিযোগে বলা হয়, এমপিওভুক্ত এ মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুল আউয়াল নিয়োগ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বিপুল অঙ্কের টাকা গ্রহণ করে অনিয়মের মাধ্যমে রেজুলেশনে তফসিল দেখিয়ে গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করেছেন। বিষয়টি আড়াল রাখতে ঢাকার একটি অপরিচিত পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

মনিরুজ্জামান অভিযোগে জানান, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অভিভাবকদের কাছ থেকে অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি জানার পর তিনি সুপারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তবে সুপার আব্দুল আউয়াল সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে প্রতিষ্ঠানে আসাও বন্ধ করে দেন। তিনি মাসে একদিন এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে-কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। জ্যেষ্ঠ শিক্ষক নিয়মিত ক্লাসে না আসায় অন্যান্য শিক্ষকরা প্রতিদিন সকাল এগারোটা থেকে বারোটার মধ্যে ক্লাস শেষ করে চলে যান, এতে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ ও সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে কে এম মনিরুজ্জামান বলেন, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ বাণিজ্যের টাকা বৈধ করতে গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর প্রতিকার চেয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুল আউয়াল বলেন, আমি কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি করিনি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। শিক্ষক ও কর্মচারীর সংকট থাকায় নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। আমি কোনো টাকা গ্রহণ করিনি।

কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকরাম হোসেন খান জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এমই/এমআর

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৫৬:৫১ ● ১০১ বার পঠিত