শনিবার ● ১৪ মার্চ ২০২৬

বেনাপোলে ৭ বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত দিল ভারত

হোম পেজ » খুলনা » বেনাপোলে ৭ বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত দিল ভারত
শনিবার ● ১৪ মার্চ ২০২৬


বেনাপোলে ৭ বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত দিল ভারত

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, বেনাপোল (যশোর)

ভারতে আটক সাতজন বাংলাদেশি নাগরিককে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) বিকেলে পশ্চিমবঙ্গের হরিদাসপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের কাউন্সেলর কর্তৃক ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ইস্যুকৃত ট্রাভেল পারমিট এবং এফআরআরও কলকাতার ২ মার্চ ২০২৬ তারিখের ‘লিভ ইন্ডিয়া নোটিশ’-এর ভিত্তিতে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। উভয় দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে হরিদাসপুর আইসিপি দিয়ে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ছয়জন এবং মহিলা আইনজীবী সমিতি একজনকে গ্রহণ করেছে।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার যশোরের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর শফিকুল ইসলাম জানান, দালাল ও অনলাইনের মাধ্যমে প্রতারকদের প্রলোভনে পড়ে তারা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিল বিদেশে যাওয়ার আশায়। পরে ভারতের কলকাতায় ঘোরাফেরার সময় পুলিশ তাদের আটক করে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে দমদম জেলে পাঠানো হয়। দুই দেশের মানবাধিকার সংস্থার হস্তক্ষেপে ভারত ও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রায় দুই বছর সাজাভোগের পর তাদের কলকাতার একটি শেল্টার হোমে রাখা হয়। পরবর্তীতে দেশে ফেরার অনুমতি পেয়ে তারা বাংলাদেশে ফিরে এসেছে।

ফেরত আসা বাংলাদেশি নাগরিকরা হলেন-বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার আবদা গ্রামের আলতাব হোসেন মাঝির মেয়ে জেসমিন আক্তার, পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার মদনপুর এলাকার মাঝপাড়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে আরমান হোসাইন, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার পাঁচপীর এলাকার রামগোবিন্দ হিসাবিয়া গ্রামের মৃত নুর আলীর মেয়ে রুপা ইসলাম (ওরফে নেহা), গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার ভাঙ্গারহাট এলাকার কোনেরবিটা গ্রামের চিন্ময় বড়াইয়ের ছেলে জিতেন্দ্র বড়াই (ওরফে যতির্ময় বড়াই), যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া গ্রামের নবিসউদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ আলী, বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার দপ্তরখানা রোডের স্বরূপ ম্যানসনের বঙ্কিম চন্দ্র হালদারের ছেলে রাজু হালদার (ওরফে সৌরভ হালদার) এবং পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইসলামাবাদ এলাকার পাচাকোরালিয়া গ্রামের ফারিকুল ইসলামের ছেলে আবু তাহের।


দেকেডি/এমআর

বাংলাদেশ সময়: ২৩:০০:৫৮ ● ৩১ বার পঠিত