সোমবার ● ১৭ আগস্ট ২০২৬

দৃশ্যমান দুর্যোগের বাইরে জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর সংকট

হোম » মতামত » দৃশ্যমান দুর্যোগের বাইরে জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর সংকট
সোমবার ● ১৭ আগস্ট ২০২৬


প্রতীকী ছবিটি সংগৃহীত

নিকোলাস বিশ্বাস

জলবায়ু পরিবর্তনের কথা উঠলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে কিছু পরিচিত দৃশ্য-ভয়াবহ দাবানল, আকস্মিক বন্যা, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ কিংবা খরায় ফেটে যাওয়া মাটি। সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশনের পর্দায় এসব দৃশ্যই সবচেয়ে বেশি স্থান পায়। কারণ এগুলো তাৎক্ষণিক, দৃশ্যমান এবং উপেক্ষা করার সুযোগ কম।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, এসব জলবায়ু সংকটের কেবল দৃশ্যমান অংশ। হিমশৈলের সবচেয়ে বড় ও গভীর অংশ যেমন পানির নিচে লুকিয়ে থাকে, তেমনি জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর প্রভাব ও ক্ষতও মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার নানা স্তরে অদৃশ্যভাবে ছড়িয়ে পড়ে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি শুধু ঘরবাড়ি ধ্বংস বা ফসলহানির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি খাদ্যনিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ও বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলছে।

এই সংকট কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে হলে দৃশ্যমান দুর্যোগের বাইরে গিয়ে এর অন্তর্নিহিত কারণ এবং সুদূরপ্রসারী প্রভাবগুলো বুঝতে হবে। পাশাপাশি দুর্যোগের পর প্রতিকারের পাশাপাশি দুর্যোগের আগেই ঝুঁকি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

দৃশ্যমান দুর্যোগ: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রকাশ্য রূপ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে অনেক অঞ্চলে অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, দীর্ঘস্থায়ী খরা, তীব্র তাপপ্রবাহ, শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ও দাবানলের ঝুঁকি বাড়ছে। এসব দুর্যোগ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করছে। তাৎক্ষণিক প্রাণহানি, অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ও অর্থনৈতিক লোকসানের কারণে এগুলো স্বাভাবিকভাবেই গণমাধ্যমের প্রধান শিরোনাম হয়ে ওঠে।

দুর্যোগের পর সরকার ও মানবিক সংস্থাগুলো ত্রাণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মনোযোগ তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। অথচ দুর্যোগের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব অনেক বেশি গভীর ও জটিল, যা মানুষের জীবনকে দীর্ঘ সময়ের জন্য দুর্বিষহ করে তুলতে পারে।

দুর্যোগের আড়ালে শুরু হয় আরেকটি সংকট

প্রতিটি জলবায়ুজনিত দুর্যোগ একটি দীর্ঘ শৃঙ্খল প্রতিক্রিয়ার সূচনা করতে পারে। খরায় ফসল নষ্ট হলে শুধু কৃষকের উৎপাদন কমে না; খাদ্যের সরবরাহেও চাপ তৈরি হয়, বাজারে দাম বাড়তে পারে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠী আরও বেশি খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়। কৃষক আয়ের উৎস হারান, পরিবার ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয় এবং অনেক মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

একইভাবে নদী, খাল ও জলাধার শুকিয়ে গেলে শুধু পানির সংকটই তৈরি হয় না; কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্যানিটেশন ও সামগ্রিক জীবনযাত্রাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপদ পানির জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হলে তাদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগও সীমিত হয়ে পড়ে।

খাদ্যনিরাপত্তার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব

জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে গুরুতর কিন্তু তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত প্রভাবগুলোর একটি হলো খাদ্যনিরাপত্তার ওপর চাপ। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, মাটির উর্বরতা হ্রাস, বন্যা ও খরার কারণে কৃষি উৎপাদন দিন দিন অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষুদ্র কৃষকেরা এর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

ফসলের উৎপাদন কমে গেলে খাদ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে। দরিদ্র পরিবারগুলো তখন কম পরিমাণে ও নিম্নমানের খাদ্য গ্রহণে বাধ্য হয়। এর ফলে অপুষ্টি বাড়ে, বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের মধ্যে। ক্ষুধা তখন শুধু মানবিক সংকট থাকে না; এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেরও বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

এ সংকট মোকাবিলায় জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা, উন্নত সেচব্যবস্থা, সহনশীল জাতের ফসল এবং টেকসই খাদ্য উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।

জনস্বাস্থ্যের জন্য এক নীরব হুমকি

জলবায়ু পরিবর্তন এখন জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের কারণে হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ে। বন্যায় নিরাপদ পানির উৎস দূষিত হলে কলেরা, ডায়রিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে।

অন্যদিকে তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে মশাবাহিত রোগ-যেমন ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া- নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হলে জরুরি চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হয়।

তাই জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী ও জলবায়ু-সহনশীল করে গড়ে তোলা জরুরি। একই সঙ্গে দুর্যোগের সময় দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকেও প্রস্তুত রাখতে হবে।

অর্থনৈতিক ক্ষতি ও বৈষম্যের বিস্তার

জলবায়ু পরিবর্তন শুধু পরিবেশ নয়, অর্থনীতিকেও গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। প্রতিটি বড় দুর্যোগের পর সরকারকে উদ্ধার, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়, উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে বড় ধরনের বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়।

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন। তারা সঞ্চয় হারায়, ঋণগ্রস্ত হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে সন্তানদের বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। এর ফলে তারা দীর্ঘমেয়াদি দারিদ্র্যের চক্রে আটকে পড়তে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বৈষম্যের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। যেসব জনগোষ্ঠীর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে অবদান তুলনামূলকভাবে কম, তারাই অনেক সময় জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতির সবচেয়ে বড় শিকার হয়। ফলে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।

বাস্তুচ্যুতি, অভিবাসন ও সামাজিক অস্থিরতা

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে বহু মানুষ তাদের বসতভিটা ছেড়ে অন্যত্র যেতে বাধ্য হচ্ছেন। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, উপকূলীয় লবণাক্ততা, বন্যা ও দীর্ঘস্থায়ী খরার কারণে অনেক এলাকা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। ফলে জলবায়ুজনিত অভিবাসন ও অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি বাড়ছে।

অন্যদিকে সীমিত ভূমি, পানি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হওয়ায় অনেক অঞ্চলে সামাজিক উত্তেজনা, সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি বাড়ছে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তন কেবল পরিবেশগত সংকট নয়; এটি সামাজিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ।

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর হিসাবে, ২০২২ সালে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু-সম্পর্কিত দুর্যোগের কারণে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ নতুন অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। ভবিষ্যতে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্রতা এবং অভিযোজনমূলক পদক্ষেপের কার্যকারিতার ওপর নির্ভর করে জলবায়ু ও পরিবেশগত কারণে বাস্তুচ্যুতি আরও বাড়তে পারে।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে কোটি কোটি মানুষ অভ্যন্তরীণ জলবায়ু অভিবাসনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এর মধ্যে বাংলাদেশও অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।

আন্তর্জাতিক অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (আইডিএমসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জলবায়ু ও দুর্যোগজনিত কারণে বিশ্বব্যাপী বিপুলসংখ্যক মানুষের অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি ঘটেছে। এসব বাস্তুচ্যুতি শুধু মানুষের বসতভিটা হারানোর ঘটনা নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদার সংকট।

জলবায়ু সংকট: উন্নয়নেরও বড় চ্যালেঞ্জ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব উন্নয়নের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রকে স্পর্শ করছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হলে শিক্ষা ব্যাহত হয়। স্বাস্থ্যসেবা দুর্বল হয়ে পড়ে। কৃষি, শিল্প ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়।

উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ অর্থের একটি বড় অংশ যখন বারবার পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনে ব্যয় করতে হয়, তখন দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনও অনেক দেশের জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

এ কারণে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং দুর্যোগের ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগকে উন্নয়ননীতির মূলধারায় নিয়ে আসা জরুরি।

দুর্যোগের আগে বিনিয়োগই সর্বোত্তম সমাধান

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা শুধু দুর্যোগের পর ত্রাণ বিতরণে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। প্রয়োজন জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি, নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা, বন ও প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ এবং কার্যকর আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা।

একই সঙ্গে এমন নীতি প্রণয়ন করতে হবে, যা দুর্যোগ ঘটার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেবে এবং তাদের অভিযোজন সক্ষমতা বাড়াবে। দুর্যোগের পর ক্ষতি পূরণের চেয়ে দুর্যোগের আগেই ঝুঁকি কমাতে বিনিয়োগ অনেক বেশি কার্যকর ও ব্যয়সাশ্রয়ী হতে পারে।

দৃশ্যমান ক্ষতির বাইরে তাকানোর সময় এখনই

জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি অনেক সময় চোখে দেখা যায় না। কিন্তু ধীরে ধীরে সেটিই মানুষের জীবন, জীবিকা, অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তাই শুধু বন্যা, খরা কিংবা দাবানলের দৃশ্যমান ক্ষয়ক্ষতি হিসাব করলেই চলবে না। আমাদের দেখতে হবে খাদ্যসংকট, স্বাস্থ্যঝুঁকি, দারিদ্র্য, বৈষম্য, বাস্তুচ্যুতি এবং উন্নয়নের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব।

এই সামগ্রিক চিত্র উপলব্ধি করতে পারলেই এমন নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সহনশীল, নিরাপদ ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

উপসংহার: সংকটের আড়ালে গভীর সংকট

জলবায়ু পরিবর্তন কেবল একটি পরিবেশগত সংকট নয়; এটি মানবসভ্যতার অস্তিত্ব, অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও টেকসই উন্নয়নের জন্য এক বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ।

অতএব, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় আমাদের শুধু দৃশ্যমান দুর্যোগ নয়, এর অন্তর্নিহিত ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবগুলোর প্রতিও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ প্রকৃত সমাধান তখনই সম্ভব, যখন আমরা কেবল সংকটের লক্ষণ নয়, এর মূল কারণ এবং বহুমাত্রিক প্রভাব মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করব।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই তাই শুধু পরিবেশ রক্ষার লড়াই নয়; এটি মানুষের জীবন, জীবিকা, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ রক্ষার লড়াই। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সহনশীল ও টেকসই পৃথিবী নিশ্চিত করার পথ তৈরি করা সম্ভব।

লেখক: নিকোলাস বিশ্বাস, গণমাধ্যম ফ্রিল্যান্সার ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত।

ই-মেইল: gonomaddyom@gmail.com

বাংলাদেশ সময়: ৫:৩২:৩১ ● ৩৪ বার পঠিত