রবিবার ● ১২ জুলাই ২০২৬

ইসিপিএস নিয়ে গবেষণায় স্বীকৃতি রাজউকের দুই কর্মকর্তার ‘অথর রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন

হোম » ঢাকা » ইসিপিএস নিয়ে গবেষণায় স্বীকৃতি রাজউকের দুই কর্মকর্তার ‘অথর রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন
রবিবার ● ১২ জুলাই ২০২৬


রাজউকের দুই কর্মকর্তার ‘লেখক স্বীকৃতি পুরস্কার’ অর্জন

 

সাগরকন্যা নিজস্ব প্রতিবেদক

 

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ইলেকট্রনিক নির্মাণ অনুমোদন ব্যবস্থা (ইসিপিএস) নিয়ে পরিচালিত একটি গবেষণাকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ রাজউকের অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলী মো. ইলিয়াস এবং সহকারী অথরাইজড অফিসার মো. মেহেদী হাসান ‘অথর রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন।

 

শনিবার ও রবিবার (১১ ও ১২ জুলাই) গাজীপুরে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের সহযোগিতায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর পুরকৌশল বিভাগ আয়োজিত ষষ্ঠ বার্ষিক গবেষণাপত্র সম্মেলন-২০২৬-এ (সিক্সথ অ্যানুয়াল পেপার মিট অন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-২০২৬) তাদের এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

সম্মেলনে তারা যৌথভাবে ‘রাজউকের ইলেকট্রনিক নির্মাণ অনুমোদন ব্যবস্থা (ইসিপিএস)-এর কার্যকারিতা মূল্যায়ন: একটি কেস স্টাডি’ শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। গবেষণায় রাজউকের নির্মাণ অনুমোদন প্রক্রিয়ায় চালু হওয়া ইলেকট্রনিক নির্মাণ অনুমোদন ব্যবস্থা (ইসিপিএস)-এর কার্যকারিতা, সেবার মান এবং ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

 

প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত গবেষণায় ইসিপিএস বাস্তবায়নের বিভিন্ন সুফল, বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা, প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যতে এ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও ব্যবহারবান্ধব করার জন্য বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।

 

সম্মেলন শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দুই গবেষকের হাতে সম্মাননাপত্র ও স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইইবির পুরকৌশল বিভাগের সচিব প্রকৌশলী মো. নেসার উদ্দিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (খোকা), সম্মেলনের আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. খসরু মিয়া এবং ডুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক।

 

সংশ্লিষ্টরা বলেন, রাজউকের সেবা কার্যক্রমে ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং ইলেকট্রনিক নির্মাণ অনুমোদন ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিরূপণে এ গবেষণা নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে গবেষণার সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে ডিজিটাল সেবাকে আরও স্বচ্ছ, দ্রুত, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৫৯:৫৮ ● ১১৮ বার পঠিত