বুধবার ● ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পটুয়াখালীর ৮ ইউপি চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ফেরত, দশমিনায় তিনজন

হোম » লিড নিউজ » পটুয়াখালীর ৮ ইউপি চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ফেরত, দশমিনায় তিনজন
বুধবার ● ২৯ এপ্রিল ২০২৬


 

পটুয়াখালীর ৮ ইউপি চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ফেরত, দশমিনায় তিনজন

সাগরকন্যা প্রতিবেদক, দশমিনা (পটুয়াখালী)

আদালতের রায়ে পটুয়াখালীর আটজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তাদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ফিরে পেয়েছেন। এর মধ্যে দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টু, আলীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান সাগর এবং চরবোরহান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজির সরদার রয়েছেন।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এসব চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালনে সীমাবদ্ধতায় ছিলেন। তবে আদালতের নির্দেশনার পর তারা পুনরায় স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছেন বলেও জানাে গেছে।

 

এদিকে, চরবোরহান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজির সরদারকে ঘিরে অতীতের কিছু অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তার বিরুদ্ধে ২০১৭ ও ২০২০ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট কারচুপি এবং রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর হামলা-নির্যাতনের অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে।

 

এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আবুল বাশার বলেন, ‘২০১৭ সালের চরবোরহান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় আমার ওপর হামলা হয়। আমি তিন দিন আত্মগোপনে ছিলাম এবং অবরুদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছিল।’ এছাড়া বেল্লাল হোসেন নামে এক বিএনপি কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগও রয়েছে, যেখানে তার চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করা হয়।

 

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যান নজির সরদারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আদালতের রায়ের পর চেয়ারম্যানরা প্রশাসনিক কার্যক্রমে ফিরলেও এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এর আগে তাদের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল এবং সেবা প্রদানে ধীরগতি দেখা দেয়।

 

পরবর্তীতে চেয়ারম্যানরা আদালতের শরণাপন্ন হলে শুনানি শেষে আদালত তাদের পক্ষে রায় দেন। এখন দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা না থাকায় তারা স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।

 

চেয়ারম্যানরা জানান, আদালতের এ রায়ে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন এবং জনগণের সেবা আরও জোরদার করবেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৪:৩৭:৪৭ ● ৩৫ বার পঠিত